Campus Pata 24
ঢাকাWednesday , 14 February 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যাম্পাস
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরির খবর
  7. জাতীয়
  8. তথ্যপ্রযুক্তি
  9. বিনোদন
  10. ভ্রমণ
  11. মতামত
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা জগৎ
  15. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কুতুবদিয়ায় টাকা ছাড়া মিলেনা সেচপাম্পের ছাড়পত্র

ডেস্ক রিপোর্ট
February 14, 2024 1:04 pm
Link Copied!

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসির) কুতুবদিয়ার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে সেচপাম্পের ছাড়পত্র দিতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম মাফিক আবেদনের পরও মাসের পর মাস বিএডিসির কর্মকর্তাদের দরজায় ধরনা দিলেও ঘুস না দিলে মেলে না লাইসেন্স। এ নিয়ে ভুক্তভোগী সেচপাম্প লাইসেন্স প্রত্যাশী কৃষকদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে।
লেমশীখালী ইউনিয়নের কৃষক ওসমান বিন জাফর নামের এক ভুক্তভোগী জানান, বুধবার বিকালের দিকে আমার মোবাইলে কল দেন প্রকৌশলী মোজাম্মেল হকের সহযোগী মোরশেদ আলম। এসময় তিনি আমাকে বলেন বড়ঘোপ ফুলতালা গিয়ে সেচপাম্পের ছাড়পত্র নিয়ে আসতে। তবে ছাড়পত্র নিয়ে আসতে তার স্যারকে খুশি করার জন্য ঘুষ নেওয়ার হিসাবও বুঝিয়ে দেন আমাকে। তখন তিনি আমাকে হিসাব দেন স্যারের জন্য ৩ হাজার ছাড়পত্রের জন্য দেড় হাজার ও যাতায়াত ও অন্যান্য খরচের জন্য আরও দেড় হাজার টাকা দাবী করেন। সর্বমোট ৬ হাজার টাকা দিলে বাড়িতে পৌঁছে যাবে সেচপাম্পের ছাড়পত্র। যাচাই বাছাই করার দরকার নেই বলে জানান তিনি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আলী আকবর ডেইলের আরেক ভোক্তভোগী কৃষক বলেন, ছাড়পত্রের জন্য প্রকৌশলী মোজাম্মেল ও তার সহযোগী মোরশেদকে পাঁচ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। তারা টাকা ছাড়া ছাড়পত্র দেন না। নিরুপায় হয়ে টাকা দিয়ে ছাড়পত্র নিয়ে এসেছি। প্রকৌশলী মোজাম্মেল ও তার সহযোগী মোরশেদ সিন্ডিকেট করে সেবাপ্রার্থীদের কাছ থেকে জিম্মি করে ঘুষের টাকা আদায় করেন। ঘুষ আদায় করার পর ক্ষমাও চেয়ে নেন তারা দুইজনে।
একই গ্রামের আরেকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অগভীর লাইসেন্সের জন্য আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাইসেন্স পান। পরে সহকারী প্রকৌশলীর সিন্ডিকেটকে টাকা না দেওয়ায় আবেদন স্থগিত করেন।
ভুক্তভোগী এক কৃষক বলেন, গত বছরেও লাইসেন্সের জন্য ব্যাংকে আবেদনের বিপরীতে অর্থ জমা দেন। পরে বিএডিসি অফিসে গেলে তার আবেদনের কিছুই পাননি। ফের আবেদন করে আজও তাকে লাইসেন্স দেওয়া হয়নি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রকৌশলীর সহযোগী মোরশেদ বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ছাড়পত্রের জন্য কি খরচ হয়েছে সেটি বলা হয়েছে ওই কৃষককে। প্রকৌশলীর জন্য কোন টাকা দাবী করি নাই।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কুতুবদিয়ার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক ঘুষ নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, বেশি টাকা নেওয়া হয়না খরচের জন্য এক থেকে দুই হাজার টাকা নেওয়া হয়। নিয়ম মেনে সেচপাম্পের ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তবে আমার সহযোগী মোরশেদকে টাকা দেওয়ার কথা কাউকে বলা হয়নি।
কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাশেদুল ইসলাম বলেন, বিএডিসির ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়টি তিনি অবগত না। খোঁজ-খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান ইউএনও।



সালাউদ্দিন/সাএ

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করা হয়। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।