Campus Pata 24
ঢাকাSaturday , 17 February 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যাম্পাস
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরির খবর
  7. জাতীয়
  8. তথ্যপ্রযুক্তি
  9. বিনোদন
  10. ভ্রমণ
  11. মতামত
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা জগৎ
  15. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন:শৃঙ্খলা রক্ষায় কোন ছাড় দেবে না ইসি

ডেস্ক রিপোর্ট
February 17, 2024 12:32 pm
Link Copied!

আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে শৃঙ্খলা রক্ষায় কোন ছাড় দেবে না নির্বাচন কমিশন (ইসি)।এছাড়া ধাপে ধাপে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় শৃঙ্খলা রক্ষায় বেশি শক্তি নিয়োগ করবে ভোট আয়োজনকারী সাংবিধানিক এ সংস্থাটি।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের শৃঙ্খলা রক্ষায় কি ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের(ইসি) অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেছেন,আপনারা দেখেছেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। উপজেলা নির্বাচনে শৃঙ্খলা রক্ষায় কোন ছাড় দেওয়া হবে না। যেহেতু নির্বাচন ধাপে ধাপে হচ্ছে সেহেতু শৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা বেশি শক্তি নিয়োগ করতে পারবো।
প্রতীকহীন নির্বাচনে অনেক বেশি প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেবে বলে মনে হচ্ছে বিষয়টি আপনারা কিভাবে দেখছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,বিষয়টি প্রতীকহীন নির্বাচন না, আমরা শুনেছি যে একটি রাজনৈতিক দল তারা কোন প্রার্থী মনোনয়ন দেবে না তার মানে সেই রাজনৈতিক দলের প্রতীকে প্রার্থী থাকবে না। অন্য একটা রাজনৈতিক দল যদি দেয় সেটা তো থাকতে পারে। 
উপজেলা নির্বাচন নিয়ে কোন চ্যালেঞ্জ দেখছেন কি না?এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,এখন পর্যন্ত কোন চ্যালেঞ্জ দেখছে না কমিশন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে এই নির্বাচন বেশি অংশগ্রহণমূলক হবে বলে আশা করছি যারা পদপ্রার্থী থাকবেন তারাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের উপস্থিত নিশ্চিত করবে।এছাড়া দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে ভোটের হার বেশি হবে বলে মনে করি।  
অন্য আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বছর ইতোমধ্যে আমরা ঘোষণা করেছি যে চারটি ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ চারটি ধাপে নির্বাচন হওয়াতে কমিশন মনে করছে যে এতে সুবিধা আছে। এছাড়া একই জেলার মধ্যে একাধিক ধাপে নির্বাচন দেওয়ায় একই জেলার পুলিশ,আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রশাসন দিয়ে কাজটা করা অনেক সহজ হবে।
একটি অঞ্চল অথবা আগে যেভাবে নির্বাচন টা করা হয়েছে সেক্ষেত্রে এক অঞ্চলে নির্বাচনের জন্য অন্য অঞ্চলের থেকে পুলিশ আনতে হতো সেক্ষেত্রে পুলিশের যাতায়াত বা অন্যান্য প্রশাসনে যারা দায়িত্ব পালন করবে তাদের যাতায়াত ও থাকার একটা অসুবিধা হয়।আর আমরা যদি একই জেলার মধ্যে ধাপে ধাপে নির্বাচন করি তাহলে সে জেলার যে প্রশাসনিক ক্ষমতা আছে সে সংখ্যা দিয়েই আমরা ওই জেলার নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারি।আর এজন্য কমিশন মনে করছে যে ধাপে ধাপে একই জেলার ভিতরে নির্বাচন হলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মুভমেন্টে বিশেষ করে সুবিধা পাবে। 
কমিশনের নির্বাচনি ব্যয়ের উপর প্রভাব পড়বে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন,এ পদ্ধতিতে নির্বাচন করলে কমিশনের নির্বাচনি ব্যয়ের উপর যে প্রভাবটা পড়বে সেটা হল কিছুটা ব্যয় কম হবে।ধাপে ধাপে নির্বাচন করার এটিও একটি সুবিধা।
এ পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে বিশৃঙ্খলা হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু থাকে জানতে চাইলে তিনি আরো বলে,সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা ও কম হবে কারণ একই জেলার ভিতরে একই কমান্ডের আওতাই থাকবে সবকিছু সে দিক দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করার সুবিধা জনক হবে।
এছাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে আরও স্বচ্ছ করতে আইন ও বিধি সংশোধন সংক্রান্ত একটি কমিটি গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন(ইসি)।এ কমিটি বেশ কিছু প্রস্তাবও এনেছে। কমিশনে অনুমোদন পেলে এগুলো সংশোধনী আকারে বিধিমালায় অন্তর্ভূক্ত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। 
কর্মকর্তারা জানান, প্রস্তাবগুলো উল্লেখযোগ্য হলো,অযোগ্য প্রার্থীরা যাতে নির্বাচন করতে না পারে সেজন্য ১৬.৬৬ শতাংশ ভোট না পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত করা,প্রতীক বরাদ্ধের আগেই প্রচারের সুযোগ দেওয়া,প্রচারে রঙিন পোস্টার ব্যানারের ব্যবহার,প্রার্থীদের জামানতের অর্থ বৃদ্ধি ,সমর্থন স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ভোটারদের সমর্থন সূচক স্বাক্ষর না রাখা ইত্যাদি প্রস্তাব করেছে নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানার নেতৃত্বে আইন সংশোধনে গঠিত কমিটি।
এর আগে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর এ বিষয়ে বলেন, বিধিমালায় কিছু কিছু জায়গায় অসংগতি আছে, কিছু অস্পষ্টতা আছে, সেগুলোর বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল। তারা যে প্রস্তাব দেবে সবগুলোই যে গ্রহণ করবো তাও নয়। এটা কমিশন বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে।
নির্বাচন কমিশনার আলমগীর বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেভাবে করেছি উপিজেলা নির্বাচন তারচেয়ে ভালো ভাবে করব। কারণ জাতীয় নির্বাচন একসঙ্গে ৩০০ আসনে করতে হয়েছে। আমাদের ৩০০ জায়গায় এফোট করতে হয়েছে। আমরা এখানে কমপক্ষে ৪ ধাপ করব। প্রতি ধাপে ১০০ বা এর কাছাকাছি ভোট হবে। সেক্ষেত্রে আমাদের এফোট বেশি থাকবে। আমরা আশাকরি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। ইতিহাস বলে স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীটা বেশি হয়। স্থানীয় পর্যায়ে অনেক অংশগ্রহণ থাকে, যার কারণে ভোটের মাঠে অটোমেটিক ব্যালেন্স তৈরি হয়। সেখানে আমরা এফোট দিলে সুষ্ঠু ভোট হবে বলে আমরা মনে করি।
এরে আগে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাত বলেন,৯মার্চ আমাদের ৫৬ টি জেলায় ২৩৩ টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।এখানে সিটি কর্পোরেশনসহ ইউনিয়ন পরিষদ ,পৌরসভাও রয়েছে।যার মধ‌্যে কিছু সাধারণ ও কিছু শূণ‌্য পদে নির্বাচন হবে।
ইতিমধ্যে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রথম ধাপে ৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ১১ মে, তৃতীয় ধাপে ১৮মে ও চতুর্থ ধাপে ২৫ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিতহ হবে। প্রথম ধাপে ১৫৩টি, দ্বিতীয় ধাপে ১৬৫টি, তৃতীয় ধাপে ১১১টি ও চতুর্থ ধাপে ৫২টি; মোট ৪৮১টি উপজেলা ভোটের সময় ঘোষণা করেছে ইসি। দেশে বর্তমানে উপজেলা রয়েছে ৪৯৫টি।



বাঁধন/সিইচা/সাএ

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করা হয়। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।