Campus Pata 24
ঢাকাFriday , 1 March 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যাম্পাস
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরির খবর
  7. জাতীয়
  8. তথ্যপ্রযুক্তি
  9. বিনোদন
  10. ভ্রমণ
  11. মতামত
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা জগৎ
  15. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রোজার আগে যেসব প্রস্তুতি নেবেন

Link Copied!

পবিত্র রমজান মাস চলেই এলো। আর ক’দিন পরেই শুরু হবে রমজানের। পুরো একমাস রোজা রাখবেন মুসলমান ধর্মাবলম্বীরা। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য এই এক মাস দিনের বেলা সব ধরনের পানাহার থেকে বিরত থাকা হয়। মাসটি বছরের অন্যান্য মাসের মতো নয়। 
যেখানে অন্য মাসগুলোতে দিনে তিনবেলা মূল খাবার খাওয়া হয়, সেখানে রমজান মাসে তা চলে আসে মূলত দুইবেলায়, সেহরি ও ইফতার। আবার সারাদিন না খেয়ে থাকার ফলে শরীরেও আসে কিছু পরিবর্তন। তাই রোজার প্রস্তুতি হিসেবে কিছু কাজ করে রাখতে পারলে ভালো। চলুন জেনে নেওয়া যাক-
রোজার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে খাবার। এই মাসে খাবারের ক্ষেত্রে প্রয়োজন বাড়তি সচেতনতা। অনেকে এসময় বাইরে তৈরি ভাজাপোড়া ও মসলাদার খাবার খেয়ে থাকেন, যা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। এ ধরনের খাবার আপনাকে বড় কোনো অসুখের ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। তাই সতর্ক হতে হবে। রমজান মাসে রোজা রেখে অনেক ধরনের খাবার তৈরি করাও কষ্টকর। তাই আগেভাগে কিছু খাবার প্রস্তুত করে রাখা যেতে পারে। পুরো রমজানের বাজার একবারে করিয়ে রাখতে পারেন। এতে রোজা রেখে বারবার বাজার করতে যেতে হবে না। এরপর কিছু ইফতারের পদ ও মসলা ইত্যাদি তৈরি করে ফ্রিজে রাখতে পারেন। তাতে কাজ অনেকটাই কমে যাবে। পুরো রমজান মাসই আপনি ইবাদতের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাবেন।
শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি:
রমজানে শারীরিক সুস্থতার দিকে খেয়াল রাখা খুবই জরুরি। কারণ এসময় অসুস্থ হলে রোজা রাখাটাই কষ্টকর হয়ে যাবে। সেইসঙ্গে প্রয়োজন মানসিক প্রস্তুতিও। তাই রমজানের প্রস্তুতি হিসেবে আগেভাগেই প্রশান্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি করুন। কথা কম বলা ও ঝামেলাপূর্ণ বিষয় এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। আত্মীয় ও বন্ধু-পরিজনের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করুন। মন ভালো থাকে এ ধরনের কাজ করুন। পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার খান। পানি পান করুন নিয়মিত। অলসতা ঝেড়ে ফেলুন। কাজে ব্যস্ত থাকলে মনও ভালো থাকবে। সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করুন। এতে সবকিছু সহজ মনে হবে।
শিশুদের জন্য:
রোজায় শিশুদের খাবার ও অন্যান্য বিষয়েরও দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। কারণ শিশুরা রোজা রাখতে পারে না। বড়দের কারণে যেন তাদের খাবারে কষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। এসময় রোজা রেখে শিশুর জন্য খাবার তৈরি করাটা ঝক্কির কাজ হতে পারে। তাই চেষ্টা করুন শিশু খেতে পছন্দ করে এ ধরনের কিছু খাবার আগেভাগেই তৈরি করে ফ্রোজেন করে রাখতে। আবার যে-সব খাবার সহজে তৈরি করা যায়, সেগুলোও কিনে রাখতে পারেন। সেইসঙ্গে ফল, সবজি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খাবারও শিশুর জন্য রাখুন। সম্ভব হলে খাবার তৈরি করার সময় শিশুকেও আপনার সঙ্গে রাখুন। তাতে সে নিজের খাবার নিজে তৈরি করে খাওয়া শিখবে। তবে শিশুকে চুলার আগুনের কাছে যেতে না দেওয়াই ভালো। এদিকে খেয়াল রাখুন।
পরিচ্ছন্নতা:
পরিচ্ছন্নতা জরুরি। বিশেষ করে ইবাদতের জন্য পরিষ্কার ঘরদোর থাকতে হবে। ঘর পরিষ্কার থাকলে মনও ভালো থাকে। একমনে প্রার্থনা করা যায়। তাই রোজা শুরু হওয়ার আগেই বাড়িঘর পরিষ্কার করার চেষ্টা করুন। ধুলো-ময়লা ঝেড়ে চকচকে করে রাখুন। আসবাবপত্র নিয়মিত মুছুন। বিছানার চাদর, বালিশের কভার, পর্দা এবং এ জাতীয় যা আছে সেগুলো আগেভাগেই ধুয়ে রাখতে পারেন। এতে রমজানে কষ্ট কম হবে। বাড়ির দেয়ালের রং পরিবর্তন করতে পারেন। দেয়ালে পছন্দের কোনো রং ব্যবহার করলে হৃদয়ে প্রশান্তি আসতে পারে।



শাকিল/সাএ

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করা হয়। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।