Campus Pata 24
ঢাকাThursday , 30 May 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যাম্পাস
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরির খবর
  7. জাতীয়
  8. তথ্যপ্রযুক্তি
  9. বিনোদন
  10. ভ্রমণ
  11. মতামত
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা জগৎ
  15. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিজেদের অপকর্ম লুকানোর চেষ্টা করছে: জাবি ছাত্র ইউনিয়ন 

Link Copied!

সম্প্রতি দৈনিক প্রথম আলোয় প্রকাশিত ‘জলাশয় ভরাট করে ভবন নির্মাণের তোড়জোড়’ ও ‘জলাশয়ের পাড়ে ভবন নির্মাণে বাধা’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে প্রকাশিত সম্পাদকীয়র প্রতিবাদ জানিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয় থেকে প্রতিবাদ লিপিটি প্রেরণ করা হয়। তবে এই প্রতিবাদলিপিতে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্য প্রদান করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজেদের অপকর্ম লুকানোর চেষ্টা করছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদ।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের দপ্তর সম্পাদক তানজিম আহমেদ প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে সভাপতি আলিফ মাহমুদ এবং সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ইমনের উদ্ধৃতি দিয়ে জাবি প্রশাসনের এ পদক্ষেপের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন না করে ব্যাঙের ছাতার মত যত্রতত্র ভবন নির্মাণের বিরোধিতা করে আসছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। কিন্তু প্রশাসন নির্লজ্জের মত মাস্টারপ্ল্যান না করে পুরো ক্যাম্পাসে নির্বিচারে দুই হাজার গাছ কেটে ইতিমধ্যে ভবন নির্মাণ করেছে। আরও চারটি ভবন নির্মাণ করার আয়োজন করেছে। এরমধ্যে গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদের সম্প্রসারিত ভবন নির্মাণের জন্য জলাশয় ভরাট করার কাজ শুরু করেছে। অন্যদিকে চারুকলা অনুষদ ভবনের জন্য পাখিদের অভয়াশ্রম খ্যাত জলাশয়ের ঠিক পাড়েই তিন শতাধিক গাছ কেটে বহুতল ভবনেরও চেষ্টা করে আসছেন। আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন ছাড়া আর একটি গাছও কাটতে দেওয়া হবে না।’
বিবৃতিতে দাবি করা হয়, ‘প্রথম আলোতে প্রশাসন যে প্রতিবাদ জানিয়েছে তাতে মিথ্যা তথ্যের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।’
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিবাদলিপির প্রতিবাদ জানিয়ে বলা হয়, ‘প্রশাসন বলছে তারা নাকি ক্যাম্পাসে হাজারো গাছ রোপণ করেছে। এমন মিথ্যা তথ্য আমাদের লজ্জিত করে একইসাথে আমরা বিব্রতবোধ করি। ক্যাম্পাসের কোথায় হাজারো গাছ লাগানো হয়েছে তার পরিসংখ্যান তো এখন পর্যন্ত দিতেই পারেনি, পাশাপাশি এটাও দেখাতে পারেনি কোথায় এই হাজার হাজার গাছ লাগানো হয়েছে। এটা ডাহা মিথ্যা কথা। প্রশাসন মিথ্যাচার করতে গিয়ে আরও দাবি করেছে যে, “বর্তমানে যেখানে গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদের ভবন নির্মাণের জন্য স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে, সে স্থানটি জলাশয় নয়। সত্তর দশকে সেখানে নাকি ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল, যার কাঠামো এখনো দৃশ্যমান।” তাহলে এই ৫৪ বছর কেনো ভবন নির্মাণ করা হয়নি? কারণ ওটা জলাশয় ছিল শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আপত্তির মুখে ভবন করা বন্ধ রেখেছিল সাবেক প্রশাসন। ২০১৭ সালেও আইআইটি ভবনের জন্য জায়গাটি বরাদ্দ দেয়া হলে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের তোপে ভবন নির্মাণ থেকে সরে আসতে বাধ্য হন তৎকালীন ফারজানা ইসলামের প্রশাসন। কিন্তু বর্তমান প্রশাসন সেসব তোয়াক্কা না করে ভবন নির্মাণের পাঁয়তারা করছেন।’
জাবি প্রশাসনের প্রেরিত প্রতিবাদলিপির প্রসঙ্গে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “চারুকলা অনুষদ ভবন নির্মাণকাজের স্থানটি বেশি পরিসরে ঘেরাও করা হয়েছে। জলাশয়-সংলগ্ন ওই স্থানে আশির দশকে আল-বেরুনি হলের বর্ধিতাংশ হিসেবে টিনশেড নির্মাণ করা হয়। এই টিনশেডে ২০১৯ সাল থেকে চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা হয়ে আসছে। বর্তমানে এখানে পাখির অভয়ারণ্য নিশ্চিত করেই ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা এবং নকশা করা হয়েছে। চারুকলা অনুষদ ভবনের নকশায় ভবনের চারপাশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃক্ষরোপণের কথা বলা হয়েছে।” কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ-বিজ্ঞানীরা বলছে ওই জলাশয়ের পাড়ে বহুতল ভবন নির্মাণ হলের পাখির ফ্লাইট জোন নষ্ট হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে পাখি কোনোভাবেই আসবে না। প্রশাসন বলেছে আশির দশক থেকে ওই স্থানে ভবন রয়েছে। কিন্তু পাখির কথা চিন্তা করেই সে সময় বহুতল বভন নির্মাণ করা হয়নি। করা হয়েছে একতলা, যাতে গাছ দিয়ে টিনশেড ঢাকা দেখতে পারা যায়। তাছাড়া লেক ঘেঁষে ভবন হলে সেই লেক আর তার প্রাকৃতিক অবস্থায় থাকতে পারবে না।’



শাকিল/সাএ

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করা হয়। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।